ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট – আপনার নেটের আসল স্পিড জানুন

বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ডেটার ডাউনলোড, আপলোড, পিং ও জিটার মাপুন মাত্র ২০ সেকেন্ডে – একদম ফ্রি, বাংলায়।

  • ১০০% ফ্রি
  • রেজিস্ট্রেশন লাগে না
  • ডেটা সেভার মোড আছে

ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট টুল

  1. পিং
  2. ডাউনলোড
  3. আপলোড

মাঝের বাটনে ক্লিক করে টেস্ট শুরু করুন

টেস্ট মোড

ডাউনলোড

—

আপলোড

—

পিং (লেটেন্সি)

—

জিটার

—

    কেন বিডি স্পিড টেস্ট?

    বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মাথায় রেখে বানানো।

    সম্পূর্ণ বাংলায়

    ফলাফল, ব্যাখ্যা ও পরামর্শ – সবকিছু বাংলা ভাষায় এবং বাংলা সংখ্যায়।

    ডেটা সেভার মোড

    মোবাইল ডেটায় টেস্ট করলে বেশি ডেটা খরচ হয় না। টেস্ট শেষে কত MB খরচ হলো তাও জানানো হয়।

    প্যাকেজের সাথে তুলনা

    আপনার ISP-র প্যাকেজ বেছে নিলে দেখতে পাবেন টাকার বিনিময়ে কত শতাংশ স্পিড পাচ্ছেন।

    আপনার ইতিহাস আপনার কাছে

    আগের টেস্টগুলো শুধু আপনার ব্রাউজারে থাকে। সকাল-সন্ধ্যার স্পিডের পার্থক্য সহজেই তুলনা করুন।

    কত Mbps হলে কী চলে?

    নিজের কাজ অনুযায়ী কতটুকু স্পিড দরকার তার মোটামুটি হিসাব।

    কাজপ্রয়োজনীয় স্পিড
    ফেসবুক, মেসেঞ্জার, সাধারণ ব্রাউজিং২–৫ Mbps
    জুম / গুগল মিট ভিডিও কল৩–৮ Mbps (আপলোডও দরকার)
    ইউটিউব এইচডি (১০৮০p)৮–১০ Mbps
    অনলাইন গেমিং (ফ্রি ফায়ার, পাবজি)৫+ Mbps এবং পিং ৬০ ms-এর নিচে
    ৪কে ভিডিও স্ট্রিমিং২৫+ Mbps
    ফেসবুক লাইভ / স্ট্রিমিং৫–১০ Mbps আপলোড
    ৪–৫ জনের পরিবার, একাধিক ডিভাইস৩০–৫০ Mbps

    মনে রাখবেন: ১ MB/s = ৮ Mbps। ৪০ Mbps প্যাকেজে ফাইল ডাউনলোডের সর্বোচ্চ গতি প্রায় ৫ MB/s।

    বাংলাদেশের সব ISP ও মোবাইল অপারেটরে কাজ করে

    যে সংযোগই ব্যবহার করুন না কেন, টেস্ট চালিয়ে সরাসরি আপনার প্রকৃত স্পিড দেখে নিন।

    • গ্রামীণফোন
    • রবি
    • বাংলালিংক
    • টেলিটক
    • লিংক৩
    • আমরা নেটওয়ার্কস
    • কার্নিভাল ইন্টারনেট
    • ডট ইন্টারনেট
    • ব্রিজ ওয়্যারলেস
    • সামিট কমিউনিকেশন্স
    • বিডিকম
    • স্থানীয় ক্যাবল ISP

    ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর ৬টি সহজ উপায়

    1. রাউটার রিস্টার্ট করুন৩০ সেকেন্ড বন্ধ রেখে আবার চালু করুন। মাসে অন্তত একবার করলে ভালো।
    2. রাউটারের কাছে যানদেয়াল ও দূরত্ব ওয়াই-ফাই সিগন্যাল অনেক কমিয়ে দেয়। রাউটার ঘরের মাঝখানে, উঁচু জায়গায় রাখুন।
    3. ৫ GHz ব্যান্ড ব্যবহার করুনকাছাকাছি থাকলে ৫ GHz অনেক দ্রুত ও কম জ্যামে চলে।
    4. ব্যাকগ্রাউন্ড ডাউনলোড বন্ধ করুনঅ্যাপ আপডেট, ক্লাউড সিঙ্ক ও টরেন্ট আপনার স্পিড খেয়ে ফেলে।
    5. অচেনা ডিভাইস সরানওয়াই-ফাইয়ের পাসওয়ার্ড বদলে দিন, যাতে প্রতিবেশীরা সংযোগ না নিতে পারে।
    6. ISP-কে জানানবারবার প্যাকেজের অনেক কম স্পিড এলে টেস্টের ছবি সংরক্ষণ করে সার্ভিস প্রোভাইডারকে দেখান।

    ইন্টারনেট নিয়ে সাম্প্রতিক লেখা

    ইন্টারনেট ও ওয়াইফাই স্পিড বাড়ানোর ১০টি সহজ উপায়

    স্পিড টেস্ট করে দেখলেন প্যাকেজে যা বলা আছে, তার চেয়ে অনেক কম গতি আসছে? সবসময় এর মানে এই নয় যে সংযোগ নষ্ট বা আইএসপি প্রতারণা করছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানটা বাড়িতেই…

    ইন্টারনেট স্পিড টেস্টের রেজাল্ট কীভাবে পড়বেন: Mbps, ডাউনলোড, আপলোড ও পিং বোঝার সহজ গাইড

    স্পিড টেস্ট করার পর স্ক্রিনে কয়েকটি সংখ্যা দেখা যায় — ডাউনলোড, আপলোড, পিং। কিন্তু সংখ্যাগুলো আসলে কী বোঝায়, আর ইন্টারনেট প্যাকেজে লেখা “১০ Mbps”-এর সাথে এর সম্পর্ক কী — এই…

    সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

    ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কীভাবে কাজ করে?

    আপনার ডিভাইস থেকে নিকটতম ক্লাউডফ্লেয়ার সার্ভারে একাধিক সংযোগ খুলে কয়েক সেকেন্ড ডেটা ডাউনলোড ও আপলোড করা হয়। শুরুর কয়েক সেকেন্ডের ধীর গতি বাদ দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে কত মেগাবিট ডেটা স্থানান্তর হলো তা হিসাব করে Mbps-এ দেখানো হয়। পিং ও জিটার মাপা হয় ছোট ছোট রিকোয়েস্টের সময় থেকে।

    Mbps আর MBps-এর পার্থক্য কী?

    Mbps মানে মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড – ইন্টারনেট প্যাকেজ সাধারণত এই এককে বিক্রি হয়। MB/s মানে মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ড – ফাইল ডাউনলোডের সময় যা দেখা যায়। ১ MB/s = ৮ Mbps। যেমন ৪০ Mbps প্যাকেজে সর্বোচ্চ প্রায় ৫ MB/s ডাউনলোড স্পিড পাওয়া যায়।

    প্যাকেজের চেয়ে কম স্পিড আসছে কেন?

    ওয়াই-ফাই রাউটার থেকে দূরত্ব, একসাথে অনেক ডিভাইস ব্যবহার, পুরনো রাউটার, ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড বা আপডেট, এবং সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে নেটওয়ার্ক জ্যাম – এসবই কারণ হতে পারে। অনেক ISP “আপ টু” স্পিডে প্যাকেজ দেয়, তাই সবসময় পুরো স্পিড নাও মিলতে পারে। সঠিক তুলনার জন্য তারযুক্ত (LAN) সংযোগে টেস্ট করুন।

    পিং ও জিটার কী? গেমিংয়ে এগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    পিং হলো আপনার ডিভাইস থেকে সার্ভারে গিয়ে ফিরে আসতে ডেটার সময় (মিলিসেকেন্ডে)। ফ্রি ফায়ার বা পাবজির মতো অনলাইন গেমে ৬০ ms-এর নিচে পিং ভালো ধরা হয়। জিটার হলো পিংয়ের ওঠানামা – জিটার বেশি হলে ভিডিও কল ও গেমে ল্যাগ বা কথা কেটে যায়।

    এই টেস্টে কত ডেটা খরচ হয়?

    স্ট্যান্ডার্ড মোডে স্পিড যত বেশি, ডেটা খরচও তত বেশি – ধীর সংযোগে কয়েক MB, খুব দ্রুত সংযোগে কয়েকশো MB পর্যন্ত হতে পারে। মোবাইল ডেটা ব্যবহার করলে “ডেটা সেভার” মোড বেছে নিন; এতে সর্বোচ্চ প্রায় ৫০ MB খরচ হয়। টেস্ট শেষে কত ডেটা খরচ হলো তাও দেখানো হয়।

    গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের মোবাইল ডেটায় কি টেস্ট করা যায়?

    হ্যাঁ। মোবাইল ডেটা, ওয়াই-ফাই ও ফাইবার ব্রডব্যান্ড – সব ধরনের সংযোগেই এই টুল কাজ করে। ফোনের ব্রাউজারে সাইটটি খুলে বাটনে ক্লিক করলেই হবে।

    আমার টেস্টের ফলাফল কি সংরক্ষিত হয়?

    না, আমাদের সার্ভারে আপনার ফলাফল জমা থাকে না। আগের টেস্টের ইতিহাস শুধু আপনার নিজের ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকে এবং যেকোনো সময় মুছে ফেলা যায়।

    সবচেয়ে সঠিক ফলাফল পেতে কী করব?

    টেস্টের সময় অন্য সব ডাউনলোড, ভিডিও স্ট্রিমিং ও আপডেট বন্ধ রাখুন। সম্ভব হলে রাউটারের কাছে বা LAN কেবলে টেস্ট করুন, VPN বন্ধ রাখুন, এবং দিনের ভিন্ন সময়ে ২–৩ বার টেস্ট করে গড় দেখুন।