ইন্টারনেট ও ওয়াইফাই স্পিড বাড়ানোর ১০টি সহজ উপায়
স্পিড টেস্ট করে দেখলেন প্যাকেজে যা বলা আছে, তার চেয়ে অনেক কম গতি আসছে? সবসময় এর মানে এই নয় যে সংযোগ নষ্ট বা আইএসপি প্রতারণা করছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানটা বাড়িতেই…
বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল ডেটার ডাউনলোড, আপলোড, পিং ও জিটার মাপুন মাত্র ২০ সেকেন্ডে – একদম ফ্রি, বাংলায়।
মাঝের বাটনে ক্লিক করে টেস্ট শুরু করুন
| সময় | ডাউনলোড | আপলোড | পিং |
|---|
ফলাফল শুধু আপনার ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকে।
বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মাথায় রেখে বানানো।
ফলাফল, ব্যাখ্যা ও পরামর্শ – সবকিছু বাংলা ভাষায় এবং বাংলা সংখ্যায়।
মোবাইল ডেটায় টেস্ট করলে বেশি ডেটা খরচ হয় না। টেস্ট শেষে কত MB খরচ হলো তাও জানানো হয়।
আপনার ISP-র প্যাকেজ বেছে নিলে দেখতে পাবেন টাকার বিনিময়ে কত শতাংশ স্পিড পাচ্ছেন।
আগের টেস্টগুলো শুধু আপনার ব্রাউজারে থাকে। সকাল-সন্ধ্যার স্পিডের পার্থক্য সহজেই তুলনা করুন।
নিজের কাজ অনুযায়ী কতটুকু স্পিড দরকার তার মোটামুটি হিসাব।
| কাজ | প্রয়োজনীয় স্পিড |
|---|---|
| ফেসবুক, মেসেঞ্জার, সাধারণ ব্রাউজিং | ২–৫ Mbps |
| জুম / গুগল মিট ভিডিও কল | ৩–৮ Mbps (আপলোডও দরকার) |
| ইউটিউব এইচডি (১০৮০p) | ৮–১০ Mbps |
| অনলাইন গেমিং (ফ্রি ফায়ার, পাবজি) | ৫+ Mbps এবং পিং ৬০ ms-এর নিচে |
| ৪কে ভিডিও স্ট্রিমিং | ২৫+ Mbps |
| ফেসবুক লাইভ / স্ট্রিমিং | ৫–১০ Mbps আপলোড |
| ৪–৫ জনের পরিবার, একাধিক ডিভাইস | ৩০–৫০ Mbps |
মনে রাখবেন: ১ MB/s = ৮ Mbps। ৪০ Mbps প্যাকেজে ফাইল ডাউনলোডের সর্বোচ্চ গতি প্রায় ৫ MB/s।
যে সংযোগই ব্যবহার করুন না কেন, টেস্ট চালিয়ে সরাসরি আপনার প্রকৃত স্পিড দেখে নিন।
স্পিড টেস্ট করে দেখলেন প্যাকেজে যা বলা আছে, তার চেয়ে অনেক কম গতি আসছে? সবসময় এর মানে এই নয় যে সংযোগ নষ্ট বা আইএসপি প্রতারণা করছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমাধানটা বাড়িতেই…
স্পিড টেস্ট করার পর স্ক্রিনে কয়েকটি সংখ্যা দেখা যায় — ডাউনলোড, আপলোড, পিং। কিন্তু সংখ্যাগুলো আসলে কী বোঝায়, আর ইন্টারনেট প্যাকেজে লেখা “১০ Mbps”-এর সাথে এর সম্পর্ক কী — এই…
আপনার ডিভাইস থেকে নিকটতম ক্লাউডফ্লেয়ার সার্ভারে একাধিক সংযোগ খুলে কয়েক সেকেন্ড ডেটা ডাউনলোড ও আপলোড করা হয়। শুরুর কয়েক সেকেন্ডের ধীর গতি বাদ দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে কত মেগাবিট ডেটা স্থানান্তর হলো তা হিসাব করে Mbps-এ দেখানো হয়। পিং ও জিটার মাপা হয় ছোট ছোট রিকোয়েস্টের সময় থেকে।
Mbps মানে মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড – ইন্টারনেট প্যাকেজ সাধারণত এই এককে বিক্রি হয়। MB/s মানে মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ড – ফাইল ডাউনলোডের সময় যা দেখা যায়। ১ MB/s = ৮ Mbps। যেমন ৪০ Mbps প্যাকেজে সর্বোচ্চ প্রায় ৫ MB/s ডাউনলোড স্পিড পাওয়া যায়।
ওয়াই-ফাই রাউটার থেকে দূরত্ব, একসাথে অনেক ডিভাইস ব্যবহার, পুরনো রাউটার, ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড বা আপডেট, এবং সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে নেটওয়ার্ক জ্যাম – এসবই কারণ হতে পারে। অনেক ISP “আপ টু” স্পিডে প্যাকেজ দেয়, তাই সবসময় পুরো স্পিড নাও মিলতে পারে। সঠিক তুলনার জন্য তারযুক্ত (LAN) সংযোগে টেস্ট করুন।
পিং হলো আপনার ডিভাইস থেকে সার্ভারে গিয়ে ফিরে আসতে ডেটার সময় (মিলিসেকেন্ডে)। ফ্রি ফায়ার বা পাবজির মতো অনলাইন গেমে ৬০ ms-এর নিচে পিং ভালো ধরা হয়। জিটার হলো পিংয়ের ওঠানামা – জিটার বেশি হলে ভিডিও কল ও গেমে ল্যাগ বা কথা কেটে যায়।
স্ট্যান্ডার্ড মোডে স্পিড যত বেশি, ডেটা খরচও তত বেশি – ধীর সংযোগে কয়েক MB, খুব দ্রুত সংযোগে কয়েকশো MB পর্যন্ত হতে পারে। মোবাইল ডেটা ব্যবহার করলে “ডেটা সেভার” মোড বেছে নিন; এতে সর্বোচ্চ প্রায় ৫০ MB খরচ হয়। টেস্ট শেষে কত ডেটা খরচ হলো তাও দেখানো হয়।
হ্যাঁ। মোবাইল ডেটা, ওয়াই-ফাই ও ফাইবার ব্রডব্যান্ড – সব ধরনের সংযোগেই এই টুল কাজ করে। ফোনের ব্রাউজারে সাইটটি খুলে বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
না, আমাদের সার্ভারে আপনার ফলাফল জমা থাকে না। আগের টেস্টের ইতিহাস শুধু আপনার নিজের ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকে এবং যেকোনো সময় মুছে ফেলা যায়।
টেস্টের সময় অন্য সব ডাউনলোড, ভিডিও স্ট্রিমিং ও আপডেট বন্ধ রাখুন। সম্ভব হলে রাউটারের কাছে বা LAN কেবলে টেস্ট করুন, VPN বন্ধ রাখুন, এবং দিনের ভিন্ন সময়ে ২–৩ বার টেস্ট করে গড় দেখুন।